Header Ads

Header ADS

গুনাহমুক্ত জীবন গড়ুন

গুনাহমুক্ত জীবন কে-না চায়? কে চায় না-আমার আমার আমলনামার সবটাই সওয়াবে পূর্ণ থাকুক!আল্লাহর ইবাদত আর নবির অনুসরণে দেহ-মন থাকুক সদা উদ্ভাসিত! প্রফুল্ল থাকুক মন-মগজ জান্নাতি আবহে!কিন্তু এর জন্যে মানুষ কতোটুকুইবা কষ্ট করে? কতোটুকুইবা সে চেষ্টা করে?কায়মনোবাক্যে আল্লাহর কাছে কয়বারইবা সে দোয়া করে?দিনে কতোবার সে স্বীয় কর্মের জন্যে অনুতপ্ত হয়?কতোবার সে ইস্তেগফারের মহাঅস্ত্রকে তাসবীহের দানায় ধারণ করে?দৈনন্দিন আমলের
হিসেবইবা সে কয়বার করে??
মানুষ ভুলের ঊর্ধে নয়।তার দ্বারা সওয়াবের কাজ যেমন হবে-তেমনি মাঝে মাঝে গোনাহের কাজও হবে।পূণ্যের কাজ করে পাল্লা ভারী করতে পারলে তো গোনাহের পাল্লা ভারী হবেই।দিনে দিনে আমল বাড়াতে না পারলেও আমলের মাঝে ঘাটতি হওয়া হেদায়েত থেকে দূরে সরে যাবার লক্ষণ। আমলের মাধ্যমে আজ যতোটুকুন এগোনো হলো -আগামীতে যদি সে পরিমাণ কিংবা তাতে বৃদ্ধি না করা হয় তাহলে সফলতা প্রায় অনিশ্চিত!সময় বয়ে যাওয়ার সাথে সাথে সাধারণ মানুষগুলোর গোনাহের পরিমাণও বাড়তে থাকে, এখন যদি তারা (ঈমান আনা কিংবা প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর)গতোকাল যে আমলটি করেছে -আজ যদি সমপরিমাণ কিংবা তাতে বৃদ্ধি না করে তাহলে এটাই হতে তার পরকালীন মুক্তির পথে অন্তরায়!অপরদিকের হাদিসের ভাষ্য হলো -خير الأمور أدومها واإن قل
(সর্বোত্তম কাজতো ওইটা-যা সবসময় করা হয়, যদিও তা অল্প হয়) তাই আমাদের উচিত হাদিসটি মাথায় রেখে এর ভাষ্যমতে সমস্তকাহ পরিচালনা করা।সবসময় সুন্নাতের একান্ত অনুগামী হওয়া।গুনাহ ছাড়তে সর্বোচ্চ্য চেষ্টা করে যাওয়া। সদা-সর্বদা তওবার আমলকে সাথী করে খোদাভীতি নিয়ে চলা-ফেরা করা। প্রতিটা কাজই ইখলাসের সাথে করা।হেদায়েতের পথের দিশা কামনা করে যাওয়া। জান্নাতের বাগান এ পথেরই মাথায়..

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.